পোস্টগুলি

সাধু চেনার উপায়?

ছবি
 🍁সাধু চেনার উপায়? 🍁 উত্তর: যিনি শুদ্ধভাবে কৃষ্ণভজনকারী এবং নিঃশর্তভাবে ঐকান্তিক কৃষ্ণানুশীলনে ব্রতী-তিনিই সাধু। শ্রীমদ্ভাগবতে একটি শ্লোকে বলা হয়েছে- তিতিক্ষবঃ কারুণিকাঃ সুহৃদঃ সর্বদেহিনাম্। অজাতশত্রবঃ শান্তাঃ সাধবঃ সাধুভূষণাঃ ॥ অর্থাৎ, "সাধুর লক্ষণ হচ্ছে তিনি সহনশীল, দয়ালু এবং সমস্ত জীবের সুহৃৎ। তিনি কারও প্রতি শত্রু-ভাবাপন্ন হন না, তিনি শান্ত, তিনি শাস্ত্রের নির্দেশ অনুসারে আচরণ করেন; এবং তিনি সমস্ত সদ্‌গুণের দ্বারা বিভূষিত।" (ভাঃ ৩/২৫/২১) সহনশীলতা সাধুর ধর্ম। এই যুগে মানুষেরা আসুরিক মনোভাবাপন্ন হওয়ার ফলে, কেউ ভগবদ্ ভজন করা মাত্রই, বহু মানুষ তার শত্রুতে পরিণত হয়। এমন কি কারও পিতা পর্যন্তও শত্রুভাবাপন্ন হয়ে উঠতে পারে, যেমন প্রহ্লাদের পিতা হিরণ্যকশিপু প্রহ্লাদের প্রতি শত্রুভাবাপন্ন হয়েছিল। কিন্তু, শ্রীপ্রহ্লাদ শৈশব থেকেই পিতার অবাধ্য হয়েছিলেন, এবং জীবনে কখনো ভগবদ্ভজন থেকে বিচ্যুত হননি। এটাই যথার্থ সাধুর পরিচয়। সাধু কৃপালু। জড় জগতে বদ্ধ জীবদের তিনি মুক্তির পথ প্রদর্শন করেন। অনেক ব্যক্তিকে দেখা যায়, যারা কনিষ্ঠ স্তরের ভক্তকে দেখে উপহাস করে-এ আবার কবে সাধু হল?' কিন্তু পরমে...

ভক্তিজীবন গ্রহণ করাই যদি মনুষ্য-জন্মের একমাত্র উদ্দেশ্য হয়, তবে এই যুগের অধিকাংশ মানুষ কেন ভক্ত হতে চায় না?

ছবি
 🍁🌿ভক্তিজীবন গ্রহণ করাই যদি মনুষ্য-জন্মের একমাত্র উদ্দেশ্য হয়, তবে এই যুগের অধিকাংশ মানুষ কেন ভক্ত হতে চায় না? উত্তর: কলিযুগের মানুষেরা সহজে ভক্তিজীবন গ্রহণ করতে চায় না। কারণ তারা পাপাচারী, ভাগ্যহীন, দুষ্কৃতকারী, ক্ষীণবুদ্ধি, কলহপ্রিয়। কলিবদ্ধ জীবের এই সকল দোষ শ্রীমদ্ভাগবতে উল্লেখ করা হয়েছে।  যাঁরা ধার্মিক, যাঁরা পুণ্যকর্ম করে নিষ্পাপ হয়েছেন, তাঁরাই ভগবানের ভজনা করতে পারেন। শ্রীকৃষ্ণ উল্লেখ করেছেন- যেষাং ত্বন্তগতং পাপং জনানাং পুণ্যকর্মণাম্। তে দ্বন্দ্বমোহনিমুক্তা ভজন্তে মাং দৃঢ়ব্রতাঃ ॥ "যে সমস্ত পুণ্যবান ব্যক্তির পাপ সম্পূর্ণরূপে দূরীভূত হয়েছে এবং যাঁরা দ্বন্দ্ব ও মোহ থেকে মুক্ত হয়েছেন, তাঁরা দৃঢ় নিষ্ঠার সঙ্গে আমার ভজনা করেন।” (গীতা ৭/৮) ভাগ্যবান না হলে কেউ ভক্তিজীবনে উন্নীত হয় না। শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভু বলছেন- ব্রহ্মাণ্ড ভ্রমিতে কোন ভাগ্যবান জীব। গুরু-কৃষ্ণ-প্রসাদে পায় ভক্তিলতা-বীজ ॥ "জীব তার কর্ম অনুসারে ব্রহ্মাণ্ডে ভ্রমণ করে। কখনও সে উচ্চতর লোকে উন্নীত হয় এবং কখনও সে নিম্নতর লোকে অধঃপতিত হয়। এইভাবে ভ্রমণরত অসংখ্য জীবের মধ্যে কদাচিৎ কোন একটি জীব তার অসীম সৌভাগ্যের ফলে শ...

মঙ্গলাচরণ//Mangalacharan

ওঁ অজ্ঞানতিমিরান্ধস্য জ্ঞানজ্ঞনশলাকয়া।  চক্ষুরুন্মীলিতং যেন তস্মৈ শ্রীগুরবে নমঃ ।।  শ্রীচৈতন্যমনোহভীষ্টং স্থাপিতং যেন ভুতলে।  স্বয়ং রুপঃ কদা মহ্যং দদাতি স্বপদান্তিকম্ ।।  অনুবাদঃ অজ্ঞতার গভীরতম অন্ধকারে আমার জন্ম হয়েছিল এবং আমার গুরুদেব জ্ঞানের আলোকবর্তিকা দিয়ে আমার চক্ষু উন্মীলিত করেছেন। তাঁকে আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি। শ্রীল রূপ গোস্বামী প্রভুপাদ, যিনি প্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর অভিলাষ পূর্ণ করবার জন্য এই পৃথিবীতে আবির্ভুত হয়েছিলেন, আমি তাঁর শ্রীপাদপদ্মের আশ্রয় লাভ কবে করতে পারব?  বন্দেহহং শ্রীগুরোঃ শ্রীযুতপদকমলং শ্রীগুরূন্ বৈষ্ণবাংশ্চ শ্রীরুপং সাগ্রজাতং  সহগণরঘুনাথান্বিতং তং সজীবম্ সাদ্বৈতং সাবধুতং পরিজনসহিতং  কৃষ্ণচৈতন্যদেবং শ্রীরাধাকৃষ্ণপাদান্ সহগণললিতা-শ্রীবিশাখান্বিতাংশ্চ ।।  অনুবাদঃ আমি আমার গুরুদেবের পাদপদ্মে ও সমস্ত বৈষ্ণববৃন্দের শ্রীচরনে আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি। আমি শ্রীরূপ গোস্বামী, তাঁর অগ্রজ শ্রীসনাতন গোস্বামী, শ্রীরঘুনাথ দাস, শ্রীরঘুনাথ ভট্র, শ্রীগোপাল ভট্র ও শ্রীল জীব গোস্বামীর চরণকমলে আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি। আমি শ্রী...

শ্রী শ্রীমদ জয়পতকা স্বামী গুরুমহারাজের প্রণাম মন্ত্র

ছবি
শ্রী শ্রীমদ জয়পতকা স্বামী গুরুমহারাজের প্রণাম মন্ত্র নমো ওঁ বিষ্ণুপাদায় কৃষ্ণপ্রেষ্ঠায় ভূতলে শ্রীমতে জয়পতাকা স্বামীনিতি নামিনে! নমো আচার্যপাদায় নিতাইকৃপা প্রদায়িনে গৌর কথা ধামদায় নগর গ্রাম তারিণে!

মঙ্গল আরতি-Moggol Aroti

ছবি
মঙ্গল আরতি সংসার-দাবানল-লীঢ় লোক- ত্রাণায় কারুণ্যঘনাঘনত্বম্। প্রাপ্তস্য কল্যাণ-গুণার্ণবস্য বন্দে গুরোঃ শ্রীচরণারবিন্দম্।।১।। মহাপ্রভোঃ কীর্তন-নৃত্য-গীত বাদিত্রমাদ্যন্মনসো রসেন। রোমাঞ্চ-কম্পাশ্রু-তরঙ্গভাজো বন্দে গুরোঃ শ্রীচরণারবিন্দম্।।২।। শ্রীবিগ্রহারাধন-নিত্য-নানা- শৃঙ্গার-তন্মন্দির মার্জনাদৌ। যুক্তস্য ভক্তাংশ্চ নিযুঞ্জতোহপি বন্দে গুরোঃ শ্রীচরণারবিন্দম্।।৩।। চতুর্বিধ-শ্রীভগবৎপ্রসাদ- স্বাদ্বন্নতৃপ্তান্ হরিভক্তিসঙঘান্। কৃত্বৈব তৃপ্তিং ভজতঃসদৈব বন্দে গুরোঃ শ্রীচরণারবিন্দম্।।৪।। শ্রীরাধিকামাধবয়োপার- মাধুর্যলীলা গুণ-রূপ-নাম্নাম্। প্রতিক্ষণাস্বাদন-লোলুপস্য বন্দে গুরোঃ শ্রীচরণারবিন্দম্।।৫।। নিকুঞ্জযুনো রতিকেলিসিদ্ধ্যৈ যা যালিভির্যুক্তিরপেক্ষণীয়া। তত্রাতিদাক্ষাদতিবল্লভস্য বন্দে গুরোঃ শ্রীচরণারবিন্দম্।।৬।। সাক্ষাদ্বরিত্বেন সমস্তশাস্ত্রৈ- রুক্তস্তথা ভাব্যত এব সদ্ভিঃ। কিন্তু প্রভোর্যঃ প্রিয় এব তস্য বন্দে গুরোঃ শ্রীচরণারবিন্দম।।৭।। যস্য প্রসাদাদভগবৎ-প্রসাদো যস্যাপ্রসাদান্ন গতিঃ কুতোহপি। ধ্যায়ংস্তুবংস্তস্য যশস্ত্রী-সন্ধ্যং বন্দে গুরোঃ শ্রীচরণারবিন্দম।।৮।। --শ্রী...

শ্রী-কৃষ্ণ-চৈতন্য প্রভু দয়া কর মোরে তোমা বিনা কে দয়ালু জগত-সংসারে

ছবি
লেখক - নরোত্তম দাস ঠাকুর। ভজন-শ্রী-কৃষ্ণ-চৈতন্য প্রভু দয়া কর মোরে তোমা বিনা কে দয়ালু জগত-সংসারে।। LYRICS: (১) শ্রী-কৃষ্ণ-চৈতন্য প্রভু দয়া কর মোরে। তোমা বিনা কে দয়ালু জগত-সংসারে।। (২) পতিত-পাবন-হেতু তব অবতার। মো সম পতিত প্রভু না পাইবে আর।। (৩) হা হা প্রভু নিত্যানন্দ, প্রেমানন্দ সুখী। কৃপাবলোকন কর আমি বড় দুঃখী।। (৪) দয়া কর সীতা-পতি অদ্বৈত গোসাঞি। তব কৃপা-বলে পাই চৈতন্য-নিতাই।। (৫) গৌর প্রেমময়ী তনু পণ্ডিত গদাধর। শ্রীনিবাস হরিদাস দয়ার সাগর।। (৬) হা হা স্বরূপ, সনাতন, রূপ, রঘুনাথ। ভট্ট-যুগ, শ্রী-জীব হা প্রভু লোকনাথ।। (৭) দয়া কর শ্রী-আচার্য়্য প্রভু শ্রীনিবাস। রামচন্দ্র-সঙ্গ মাগে নরোত্তম-দাস।। প্রভুপাদ সৈনিক

Gour aroti kirtan in bangla and english

ছবি
  গৌর-আরতি জয় জয় গোরাচাঁদের আরতিক শোভা জাহ্নবী তটবনে জগমন লোভা । দক্ষিণে নিতাইচাঁদ বামে গদাধর । নিকটে অদ্বৈত শ্রীনিবাস ছত্রধর ॥ বসিয়াছে গোরাচাঁদ রত্নসিংহাসনে । আরতি করেন ব্রহ্মা আদি দেবগণে ॥ নরহরি আদি করি চামর ঢুলায় । সঞ্জয়, মুকুন্দ, বাসুঘোষ আদি গায় ॥ শঙ্খ বাজে ঘন্টা বাজে বাজে করতাল । মধুর মৃদঙ্গ বাজে পরম রসাল ॥ বহু কোটী চন্দ্র জিনি বদন উজ্বল । গলদেশে বনমালা করে ঝলমল ॥ শিব, শুক, নারদ প্রেমে গদগদ । ভকতিবিনোদ দেখে গোরার সম্পদ ॥ Gour Arti  kiba) jaya jaya goracander aratiko sobha jahnavi-tata-vane jaga-mana-lobha jaga-jana-mana-lobha (First Refrain) gauranger arotik sobha jaga-jana-mana-lobha (2) dakhine nitaicand, bame gadadhara nikate adwaita, srinivasa chatra-dhara (3) bosiyache goracand ratna-simhasane arati koren brahma-adi deva-gane (4) narahari-adi kori’ camara dhulaya sanjaya-mukunda-basu-ghosh-adi gaya (5) sankha baje ghanta baje baje karatala madhura mridanga baje parama rasala (Second Refrain) sankha baje ghanta baje madhur madhur madhur baje (6...